بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
পরম করুণাময় ও দয়ালু আল্লাহর নামে
সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব — রাসূলুল্লাহ (সা.)
হযরত মুহাম্মাদ (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরিত হয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেছেন:
وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِّلْعَالَمِينَ
"আমি তোমাকে সমগ্র সৃষ্টির জন্য রহমত স্বরূপ পাঠিয়েছি।" — সূরা আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭
শিক্ষা ও দীক্ষা
রাসূলুল্লাহ (সা.) ৪০ বছর বয়সে নবুওয়ত পান। গুহা হেরায় চিন্তামগ্ন অবস্থায় জিবরাঈল (আ.) এর মাধ্যমে প্রথম ওহী নাযিল হয়। "ইকরা" অর্থাৎ "পড়ো" — এই একটি শব্দই ইসলামে জ্ঞান অর্জনের গুরুত্ব বোঝায়।
চরিত্রের উৎকর্ষ
আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, "নিশ্চয়ই তোমার মধ্যে মহান চরিত্রের উৎকর্ষ রয়েছে।" রাসূলুল্লাহ (সা.) সততা, সংযম, দয়া, ন্যায়পরায়ণতা ও সাহসিকতার অপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
সমাজ পরিবর্তন
মাত্র ২৩ বছরে রাসূলুল্লাহ (সা.) একটি অজ্ঞান, পশ্চাৎপদ সমাজকে বিশ্বের সেরা সভ্য সমাজে পরিণত করেছেন। তাঁর জীবনী আমাদের জন্য একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা।
সমাপ্তি: রাসূলুল্লাহ (সা.) এর জীবনী পড়া, তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ করা এবং তাঁর প্রতি দরূদ পাঠানো প্রতিটি মুসলিমের কর্তব্য।